Close Menu
    What's Hot

    ১০ ক্ষমতাচ্যুত বিশ্বনেতা: যাদের পতনে কেঁপে উঠেছিল বিশ্ব

    July ২৪, ২০২৬

    আর্জেন্টিনা-স্পেন-ব্রাজিলসহ কোন দেশ কতবার বিশ্বকাপ জিতলো

    July ১৬, ২০২৬

    ইনকিলাব মঞ্চে ফাটল: জাবের-জুমার বিদায়ে রহস্য!

    July ১০, ২০২৬
    Facebook X (Twitter) Instagram
    English
    ডেইলি নিউজ
    • জাতীয়
    • সারাদেশ
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • বিশ্ব
    • প্রবাস
    • শিক্ষা
    • চাকরি
    • প্রযুক্তি
    • ফিচার
    • খেলা
    • বিনোদন
    YouTube
    Search
    ডেইলি নিউজ
    Home - ধর্ম - কোরবানির মাংস বণ্টনের নিয়ম কী? ফজিলত ও হাদিসসহ বিস্তারিত

    কোরবানির মাংস বণ্টনের নিয়ম কী? ফজিলত ও হাদিসসহ বিস্তারিত

    Picture of ডেস্ক রিপোর্ট

    ডেস্ক রিপোর্ট

    • May ২৬, ২০২৬
    • ১০:২৫ পিএম
    কোরবানির মাংস বণ্টনের নিয়ম কী? ফজিলত ও হাদিসসহ বিস্তারিত

    পবিত্র ঈদুল আজহা মুসলিম উম্মাহর জন্য ত্যাগ, আত্মসমর্পণ ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের এক মহিমান্বিত ইবাদত। কোরবানি শুধু পশু জবাইয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মানবতা, সহমর্মিতা ও সমাজে সম্পদ বণ্টনের সুন্দর শিক্ষা। তাই অনেকেই জানতে চান, কোরবানির মাংস বণ্টনের সঠিক নিয়ম কী, কয় ভাগ করতে হয়, হাদিস কী বলে এবং কোরবানির ফজিলত কতটুকু? চলুন বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।

    কোরবানির মাংস বণ্টনের নিয়ম কী?

    ইসলামে কোরবানির গোশত বণ্টনের একটি উত্তম পদ্ধতি রয়েছে। সাধারণভাবে কোরবানির মাংস তিন ভাগ করা মুস্তাহাব (উত্তম) হিসেবে বিবেচিত।

    ১. নিজের পরিবারের জন্য এক ভাগ: এক অংশ নিজের ও পরিবারের খাবারের জন্য রাখা যায়।

    ২. আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদের জন্য এক ভাগ: এক অংশ আত্মীয়, প্রতিবেশী ও পরিচিতদের মধ্যে বিতরণ করা উত্তম।

    ৩. গরিব-দুঃখীদের জন্য এক ভাগ: আরেক অংশ গরিব, মিসকিন ও অসহায় মানুষের মধ্যে বিতরণ করা সুন্নতসুলভ আমল।

    কোরবানির গোশত তিন ভাগ করার হাদিস

    হাদিসের আলোকে কোরবানির গোশত খাওয়া, সংরক্ষণ করা এবং অন্যদের খাওয়ানোর অনুমতি রয়েছে। সালামা ইবনে আকওয়া (রা.) বর্ণনা করেন, হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন: “তোমরা কোরবানির গোশত খাও, অন্যদের খাওয়াও এবং সংরক্ষণ করো। — (সহিহ মুসলিম) যদিও “তিন ভাগ করতেই হবে” এমন বাধ্যবাধকতা নেই, তবে এটি উত্তম পদ্ধতি হিসেবে আলেমরা উল্লেখ করেছেন।

    কোরবানির মাংস কয় ভাগে ভাগ করতে হয়?

    অনেকেই মনে করেন তিন ভাগ করা ফরজ। আসলে বিষয়টি এমন নয়। তিন ভাগ করা উত্তম (মুস্তাহাব)। চাইলে পরিবারের প্রয়োজন অনুযায়ী বেশি অংশ নিজে রাখতে পারবেন দরিদ্রদের হক যেন উপেক্ষা না হয়, সেটি গুরুত্ব দিতে হবে। যদি পরিবার বড় হয় বা প্রয়োজন বেশি থাকে, তাহলে নিজের জন্য বেশি রাখা জায়েজ। তবে গরিবদের অংশ দেয়ার প্রতি উৎসাহ দেয়া হয়েছে।

    কোরবানির মাংস কতদিন খাওয়া যাবে?

    কোরবানির গোশত সংরক্ষণ করা যাবে। তবে দুর্ভিক্ষের বছর হলে তিন দিনের বেশি সংরক্ষণ করা জায়েয নয়। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি কোরবানি করেছে তৃতীয় রাতের পরের ভোর বেলায় তার ঘরে যেন এর কোনো অংশ অবশিষ্ট না থাকে।

    পরের বছর সাহাবায়ে কেরাম জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রসুল, আমরা কি গত বছরের মত করব? তখন নবীজি (সা.) বললেন, ‘তোমরা খাও, খাওয়াও এবং সংরক্ষণ কর। ওই বছর মানুষ কষ্টে ছিল। তাই আমি চেয়েছি তোমরা তাদেরকে সহযোগিতা কর। (বুখারি ও মুসলিম)

    কোরবানির মূল শিক্ষা কী?

    কোরবানি শুধু মাংস খাওয়ার বিষয় নয়। এর মূল শিক্ষা হলো, আল্লাহর আদেশের প্রতি আনুগত্য। ত্যাগের মানসিকতা গড়ে তোলা। গরিব ও অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো। সমাজে সম্পদ ভাগাভাগির মানসিকতা তৈরি করা। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, আল্লাহর কাছে পৌঁছে না এগুলোর গোশত ও রক্ত; বরং পৌঁছে তোমাদের তাকওয়া।- সূরা আল-হজ: ৩৭

    কোরবানির মাংস বণ্টনের উত্তম নিয়ম হলো তিন ভাগ করা—নিজের জন্য, আত্মীয়-স্বজনের জন্য এবং গরিবদের জন্য। তবে এটি বাধ্যতামূলক নয়; প্রয়োজন অনুযায়ী বণ্টন করা যায়। ইসলামের মূল লক্ষ্য হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন ও সমাজে সহমর্মিতা সৃষ্টি করা। তাই কোরবানি শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং ত্যাগ, তাকওয়া ও মানবতার এক অনন্য শিক্ষা।

    কোরবানির ফজিলত কী?

    ‘উযহিয়্যাহ’ কোরবানির দিনসমূহে আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের উদ্দেশ্যে যবেহ-যোগ্য উট, গরু, ছাগল বা ভেঁড়াকে বলা হয়। উক্ত শব্দটি ‘যুহা’ শব্দ থেকে গৃহীত যার অর্থ পূর্বাহ্ন। যেহেতু কুরবানী যবেহ করার উত্তম বা আফযল সময় হল ১০ই যুলহজ্জের (ঈদের দিনের) পূর্বাহ্নকাল। তাই ঐ সামঞ্জস্যের জন্য তাকে ‘উযহিয়্যাহ’ বলা হয়েছে। যাকে ‘যাহিয়্যাহ’ বা ‘আযহাহ’ও বলা হয়। আর ‘আযহাহ’ এর বহুবচন ‘আযহা’। যার সাথে সম্পর্ক জুড়ে ঈদের নাম হয়েছে ‘ঈদুল আযহা’। বলা বাহুল্য, ঈদুযযোহা কথাটি ঠিক নয়।

    কোরবানির শব্দটিও ‘কুর্ব’ ধাতু থেকে গঠিত। যার অর্থ নৈকট্য। কোরবানির হল, প্রত্যেক সেই বস্তু, যার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায়। আর সেখান থেকেই ফারসী বা উর্দু-বাংলাতে গৃহীত হয়েছে ‘কুরবানী’ শব্দটি। কোরবানির করা কিতাব, সুন্নাহ ও সর্বাদিসম্মতিক্রমে বিধেয়।

    আল্লাহ তাআলা বলেন, (فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَانْحَرْ) ‘অতএব তুমি নামায পড় তোমার প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে এবং কোরবানির কর। এই আয়াত শরীফে আল্লাহ তাআলা তাঁর নবী (সা.)-কে নামায ও কোরবানির এই দু’টি ইবাদাতকে একত্রিত করে পালন করতে আদেশ করেছেন। যে দু’টি বৃহত্তম আনুগত্যের অন্যতম এবং মহত্তম সামীপ্যদানকারী ইবাদত। আল্লাহর রসূল (সা.) সে আদেশ যথাযথভাবে পালন করেছেন। সুতরাং তিনি ছিলেন অধিক নামায কায়েমকারী ও অধিক কুরবানীদাতা। ইবনে উমার (রা.) বলেন, ‘‘নবী (সা.) দশ বছর মদীনায় অবস্থানকালে কোরবানি করেছেন।’

    আনাস (রা.) বলেন, ‘রসূল (সা.) দীর্ঘ (ও সুন্দর) দু’শিংবিশিষ্ট সাদা-কালো মিশ্রিত (মেটে বা ছাই) রঙের দু’টি দুম্বা কোরবানি করেছেন।’ তিনি কোন বছর কুরবানী ত্যাগ করতেন না। যেমন তিনি তাঁর কর্ম দ্বারা কুরবানী করতে উম্মতকে অনুপ্রাণিত করেছেন, তেমনি তিনি তাঁর বাক্য দ্বারাও উদ্বুদ্ধ ও তাকীদ করেছেন। যেমন তিনি বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি (ঈদের) নামাযের পূর্বে যবেহ করে সে নিজের জন্য যবেহ করে। আর যে নামাযের পরে যবেহ করে তার কুরবানী সিদ্ধ হয় এবং সে মুসলমানদের তরীকার অনুসারী হয়।’

    তিনি আরো বলেন, ‘‘সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যে কুরবানী করে না, সে যেন অবশ্যই আমাদের ঈদগাহের নিকটবর্তী না হয়।’ সকল মুসলিমগণ কুরবানী বিধেয় হওয়ার ব্যাপারে একমত। এ ব্যাপারে কারো কোন দ্বিমত নেই।

    তবে কোরবানি করা ওয়াজিব না সুন্নাত -এ নিয়ে মতান্তর আছে। আর দুই মতেরই দলীল প্রায় সমানভাবে বলিষ্ঠ। যাতে কোন একটার প্রতি পক্ষপাতিত্ব সহজ নয়। যার জন্য কিছু সংস্কারক ও চিন্তাবিদ্ উলামা কুরবানী ওয়াজিব হওয়ার পক্ষ সমর্থন করেন। তাঁদের মধ্যে শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রঃ) অন্যতম।

    কিন্তু অধিকাংশ সাহাবা, তাবেয়ীন এবং ফকীহগণের মতে কুরবানী সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ (তাকীদপ্রাপ্ত সুন্নাত)। অবশ্য মুসলিমের জন্য মধ্যপন্থা এই যে, সামর্থ্য থাকতে কুরবানী ত্যাগ না করাই উচিত। উচিত নিজের ও পরিবার-পরিজনের তরফ থেকে কোরবানি করা। যাতে আল্লাহর আদেশ পালনে এবং মহানবী (সা.)-এর অনুকরণে বিরাট সওয়াবের অধিকারী হতে পারে।

    বস্তুতঃ কোরবানিতে আল্লাহর নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে ইবাদতের খাতে অর্থব্যয় (ও স্বার্থত্যাগ) হয়। যাতে তাওহীদবাদীদের ইমাম ইবরাহীম (আলাইহিস সালাম)-এর সুন্নাহ জীবিত হয়। ইসলামের একটি প্রতীকের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। পরিবার ও দরিদ্রজনের উপর খরচ করা হয় এবং আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু-বান্ধবদের জন্য হাদিয়া ও উপঢৌকন পেশ করা হয়। এত কিছুর মাধ্যমে মুসলিম ঈদের খুশীর স্বাদ গ্রহণ করে থাকে।

    প্রকৃতপক্ষে আল্লাহর আনুগত্য করতে পেরেই মুসলিম আনন্দলাভ করতে পারে। সেই খুশীই তার আসল খুশী। রমযানের সারা দিন রোযা শেষে ইফতারের সময় তার খুশী হয়। পূর্ণ এক মাস রোযা করে সেই বিরাট আনুগত্যের মাধ্যমে ঈদের দিনে তারই আনন্দ অনুভব করে থাকে। এই খুশীই তার যথার্থ খুশী। বাকী অন্যান্য পার্থিব সুখ-বিলাসের খুশী খুশী নয়। বরং তা সর্বনাশের কদমবুসী। আল্লাহ তা‘আলা কিছু জাহান্নামবাসীদের উদ্দেশ্যে বলবেন, ‘‘এ এ কারণে যে, তোমরা পৃথিবীতে অযথা আনন্দ করতে ও দম্ভ প্রকাশ করতে।’’

    কারুনের পার্থিব উৎফুল্লতা স্মরণ করিয়ে তিনি বলেন, (إِذْ قَالَ لَهُ قَوْمُهُ لاَ تَفْرَحْ إِنَّ اللهَ لاَ يُحِبُّ الْفَرِحِينَ) ‘‘স্মরণ কর, তার সম্প্রদায় তাকে বলেছিল, (দর্পময়) আনন্দ করো না। অবশ্যই আল্লাহ (দর্পময়) আনন্দকারীদেরকে পছন্দ করেন না।’ অতঃপর জ্ঞাতব্য যে, যেমন হাজ্জ না করে তার খরচ সদকাহ করলে ফরয আদায় হয় না, তেমনি কুরবানী না করে তার মূল্য সদকাহ করে অভীষ্ট সুন্নাত আদায় হয় না। যেহেতু যবেহ হল আল্লাহর তা’যীম-সম্বলিত একটি ইবাদত এবং তাঁর দ্বীনের এক নিদর্শন ও প্রতীক। আর মূল্য সদকাহ করলে তা বাতিল হয়ে যায়।

    পক্ষান্তরে কোরবানি নবী (সা.)-এর সুন্নাহ এবং সমগ্র মুসলিম জাতির এক আমল। আর কোথাও কথিত নেই যে, তাঁদের কেউ কুরবানীর পরিবর্তে তার মূল্য সদকাহ করেছেন। আবার যদি তা উত্তম হত, তাহলে তাঁরা নিশ্চয় তার ব্যতিক্রম করতেন না। ইবনুল কাইয়্যেম (রঃ) বলেন, ‘যবেহ তার সবস্থানে কুরবানীর মূল্য সদকাহ করা অপেক্ষা উত্তম। যদিও সে মূল্য কুরবানীর চেয়ে পরিমাণে অধিক হয়। কারণ, আসল যবেহই উদ্দেশ্য ও অভীষ্ট। যেহেতু কুরবানী নামাযের সংযুক্ত ইবাদত।

    যেমন আল্লাহ তাআলা বলেন, (فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَانْحَرْ) অর্থাৎ, অতএব তুমি তোমার প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে নামায পড় ও কুরবানী কর। তিনি অন্যত্র বলেন, (قُلْ إِنَّ صَلاَتِيْ وَنُسُكِيْ وَمَحْيَايَ وَمَمَاتِيْ للهِ رَبِّ الْعَالَمِيْنَ) অর্থাৎ, বল, অবশ্যই আমার নামায, আমার কোরবানি, আমার জীবন, আমার মৃত্যু বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্যই। বলা বাহুল্য, প্রত্যেক ধর্মাদর্শে নামায ও কুরবানী আছে; যার বিকল্প অন্য কিছু হতে পারে না। আর এই জন্যই যদি কোন হাজী তার তামাত্তু’ বা ক্বিরান হাজ্জের কুরবানীর বদলে তার তিনগুণ অথবা তার থেকে বেশী মূল্য সদকাহ করে তবে তার পরিবর্তে হবে না। অনুরূপভাবে কুরবানীও। আর আল্লাহই অধিক জানেন। আরো জ্ঞাতব্য বিষয় এই যে, মূলতঃ কোরবানি যথাসময়ে জীবিত ব্যক্তির তরফ থেকেই প্রার্থনীয়। অবশ্য সে ইচ্ছা করলে তার সওয়াবে জীবিত অথবা মৃত আত্মীয়-স্বজনকেও শরীক করতে পারে। যেহেতু নবী (সা.) তাঁর সাহাবাবৃন্দ (রা.) নিজেদের এবং পরিবার-পরিজনদের তরফ থেকে কোরবানি করতেন।

    একাধিক মৃতব্যক্তিকে একটি মাত্র কুরবানীর সওয়াবে শরীক করাও বৈধ; যদি তাদের মধ্যে কারো উপর কুরবানী ওয়াজিব (নযর) না থাকে তবে। রসূল (সা.) নিজের তরফ থেকে, পরিবার-পরিজনের তরফ থেকে এবং সেই উম্মতের তরফ থেকে কুরবানী করেছেন; যারা আল্লাহর জন্য তাওহীদের সাক্ষ্য দিয়েছে এবং তাঁর জন্য রিসালাত বা প্রচারের সাক্ষ্য দিয়েছে। আর বিদিত যে, ঐ সাক্ষ্য প্রদানকারী কিছু উম্মত তাঁর যুগেই মারা গিয়েছিল। অতএব একই কোরবানিতে কেউ নিজ মৃত পিতামাতা ও দাদা-দাদীকেও সওয়াবে শামিল করতে পারে।

    মৃতব্যক্তির তরফ থেকে পৃথক কুরবানী করার কোন দলীল নেই। তবে করা যায়। যেহেতু কুরবানী করা এক প্রকার সদকাহ। আর মৃতের তরফ থেকে সদকাহ করা সিদ্ধ; যা যথা প্রমাণিত এবং মৃতব্যক্তি তার দ্বারা উপকৃতও হবে – ইনশাআল্লাহ। পরন্তু মৃতব্যক্তি এই শ্রেণীর পুণ্যকর্মের মুখাপেক্ষীও থাকে।

    তবুও একটি কোরবানিকে নিজের তরফ থেকে না দিয়ে কেবলমাত্র মৃতের জন্য নির্দিষ্ট করা ঠিক নয় এবং এতে আল্লাহ তাআলার সীমাহীন করুণা থেকে বঞ্চিত হওয়া উচিত নয়। বরং উচিত এই যে, নিজের নামের সাথে জীবিত-মৃত অন্যান্য আত্মীয়-পরিজনকে কুরবানীর নিয়তে শামিল করা। যেমন আল্লাহর নবী (সা.) কুরবানী যবেহ করার সময় বলেছেন, ‘হে আল্লাহ! এ (কোরবানি) মুহাম্মদের তরফ থেকে এবং মুহাম্মদের বংশধরের তরফ থেকে।’ সুতরাং তিনি নিজের নাম প্রথমে নিয়েছেন এবং সেই সঙ্গে বংশধরদেরকেও তার সওয়াবে শরীক করেছেন।

    পক্ষান্তরে মৃতব্যক্তি যদি তার এক তৃতীয়াংশ সম্পদ থেকে কাউকে কুরবানী করতে অসীয়ত করে যায়, অথবা কিছু ওয়াকফ করে তার অর্জিত অর্থ থেকে কুরবানীর অসীয়ত করে যায়, তবে অসীর জন্য তা কার্যকর করা ওয়াজিব। কুরবানী না করে ঐ অর্থ সদকাহ খাতে ব্যয় করা বৈধ নয়। কারণ, তা সুন্নাহর পরিপন্থী এবং অসিয়তের রূপান্তর। অন্যথা যদি কুরবানীর জন্য অসিয়তকৃত অর্থ সংকুলান না হয়, তাহলে দুই অথবা ততোধিক বছরের অর্থ একত্রিত করে কোরবানি দিতে হবে।

    অবশ্য নিজের তরফ থেকে বাকী অর্থ পূরণ করে কোরবানিকরলে তা সর্বোত্তম। মোটকথা অসীর উচিত, সূক্ষ্ণভাবে অসীয়ত কার্যকর করা এবং যাতে মৃত অসিয়তকারীর উপকার ও লাভ হয় তারই যথার্থ প্রয়াস করা। জ্ঞাতব্য যে, রসূল (সা.) কর্তৃক আলী (রা.)-কে কোরবানির অসিয়ত করার হাদীসটি যইফ। পরন্তু নবীর নামে কোরবানি করা আমাদের জন্য বিধেয় নয়। তিনি ঈসালে-সওয়াবের মুখাপেক্ষীও নন।

    আরো পড়ুন: লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক বাংলা অনুবাদ সহ পুরো দোয়া

    • আলোচিত সংবাদ, ঈদ, কুরবানি গোশত বণ্টন, কোরবানির মাংস বণ্টন, ডেইলি নিউজ

    আলোচিত সংবাদ

    যেসব পণ্যের দাম কমবে ও বাড়বে

    জাতিসংঘের মহাসচিব নির্বাচিত করা হয় যেভাবে

    ডেঙ্গুর বিপদ সংকেত! ঝুঁকিতে ঢাকা

    আরিয়ানা গ্রান্ডের নতুন গান ‘হ্যাট দ্যাট আই মেইড ইউ লাভ মি’ প্রকাশ

    উচ্চশিক্ষিত সন্তান তবু মায়ের করুণ মৃত্যু

    সর্বশেষ সংবাদ

    যেসব পণ্যের দাম কমবে ও বাড়বে

    জাতিসংঘের মহাসচিব নির্বাচিত করা হয় যেভাবে

    ডেঙ্গুর বিপদ সংকেত! ঝুঁকিতে ঢাকা

    আরিয়ানা গ্রান্ডের নতুন গান ‘হ্যাট দ্যাট আই মেইড ইউ লাভ মি’ প্রকাশ

    উচ্চশিক্ষিত সন্তান তবু মায়ের করুণ মৃত্যু

    ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ম্যাচ লাইভ দেখবেন যেভাবে

    বাজেটের পরও বাড়েনি কোনো পণ্যের দাম: প্রধানমন্ত্রী

    যেসব পণ্যের দাম কমবে ও বাড়বে

    জাতিসংঘের মহাসচিব নির্বাচিত করা হয় যেভাবে

    ডেঙ্গুর বিপদ সংকেত! ঝুঁকিতে ঢাকা

    আরিয়ানা গ্রান্ডের নতুন গান ‘হ্যাট দ্যাট আই মেইড ইউ লাভ মি’ প্রকাশ

    উচ্চশিক্ষিত সন্তান তবু মায়ের করুণ মৃত্যু

    যুক্তরাজ্যে ধর্মীয় ছুরির আড়ালে হত্যাকাণ্ড: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড যুবকের

    ২০২৬ সালে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি আয় করা খেলোয়াড় কে?

    ১০৪ বছর বয়সে হজ পালন: এমবাহ মার্সিয়াহর অনুপ্রেরণার গল্প

    অপ্পো রেনো ১৬ ৫জি এর দাম, ফিচার ও সম্পূর্ণ স্পেসিফিকেশন

    এবারও চামড়ার দাম নিয়ে শঙ্কা, ব্যাংক অর্থায়ন না পেয়ে বিপাকে ব্যবসায়ীরা

    কোরবানির মাংস বণ্টনের নিয়ম কী? ফজিলত ও হাদিসসহ বিস্তারিত

    লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক বাংলা অনুবাদ সহ পুরো দোয়া

    ঢাকার হাটে পর্যাপ্ত কোরবানির পশু, তবু চড়া দাম—জমেনি কেনাবেচা!

    ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অঘটনগুলো

    • ডেইলি নিউজ
    • বিজ্ঞাপন
    • শর্তাবলি ও নীতিমালা
    • গোপনীয়তা নীতি
    • যোগাযোগ
    • ডেইলি নিউজ
    • বিজ্ঞাপন
    • শর্তাবলি ও নীতিমালা
    • গোপনীয়তা নীতি
    • যোগাযোগ

    © 2025 Daily News BD. All rights reserved.
    Designed and Developed by Labartise.

    © 2025 Daily News BD. All rights reserved. Designed and developed by Labartise.
    • ডেইলি নিউজ
    • বিজ্ঞাপন
    • শর্তাবলি ও নীতিমালা
    • গোপনীয়তা নীতি
    • যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.