দেশে আবারো ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ এই দুই সিটি করপোরেশনের জরিপের তথ্য সেই ইঙ্গিতই দিচ্ছে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব প্রস্তুতি রয়েছে। ২ জুন সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এমনটাই জানিয়েছেন।
বাংলাদেশে সাধারণত বর্ষা মৌসুম অর্থাৎ জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ সবচেয়ে বেশি থাকে।
কারণ এই সময়ে গরম ও বৃষ্টির কারণে জমে থাকা পানিতে এডিস মশার বংশ দ্রুত বাড়ে। যদিও ডেঙ্গু এখন আর নির্দিষ্ট কোনো মৌসুমে সীমাবদ্ধ নেই। বছরের যেকোন সময়ই ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে বলেই মনে করেন জনস্বাস্থ্যবিদরা।
ঈদের আগে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি হয়েছে। এখনো অনেক জেলায় বৃষ্টি হচ্ছে। কীটতত্ত্ববিদরা বলছেন, থেমে থেমে বৃষ্টি এডিস মশার বংশ বাড়ার ক্ষেত্রে সহায়ক। তারা বলছেন, সামান্য বৃষ্টিপাত এডিস মশার প্রজননের জন্য উপযোগী। কোথাও যদি এক সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত হয় বা কোনো একটা পাত্রে পানি জমার মতো বৃষ্টিপাত হয়, তাতেই যথেষ্ট।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ও কীটতত্ত্ববিদ ড. কবিরুল বাশার। তার মতে, বৃষ্টির পানি বিভিন্ন জায়গায় জমে থাকায় এডিস মশার প্রজননের অনুক‚ল পরিবেশ সৃষ্টি করে এটি ঠিক।
তবে বৃষ্টি না হলেও ঢাকা শহরে এডিস মশা থাকবে। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, বহুতল ভবন। সেখানে পার্কিংয়ের জায়গায় গাড়ি ধোয়া হয়। এই পানি নিষ্কাশন ঠিকভাবে হয় না। কোথাও না কোথাও জমা হয়। এসব জায়গায় এখন প্রচুর এডিস মশা পাওয়া যায়। এছাড়া মানুষ কিন্তু মগ-বালতিতে পানি জমিয়ে রাখে। এছাড়া নগরায়ণের ধরন পরিবর্তনের সঙ্গে এডিস মশাও তার অভিযোজন শক্তি বাড়াচ্ছে বলে জানান ড. কবিরুল বাশার।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ‘বর্ষাপূর্ব এডিস মশার লার্ভা জরিপ’-এর তথ্যও বলছে, এডিসের লার্ভার উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে বহুতল ভবনে (৩৫ দশমিক ২৩ শতাংশ)। আর ডিএসসিসি’র মোট ৭৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৬৩টিই ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ সেখানে মশার ঘনত্ব নির্দিষ্ট সূচকের চেয়ে বেশি মিলেছে। আর ২৭টি ওয়ার্ড সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।
এদিকে মশার ঘনত্ব নিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) সঙ্গে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের গবেষকদের করা যৌথ এক গবেষণায়ও দেখা গেছে ওইসব এলাকার অধিকাংশ বহুতল ভবনে এডিসের লার্ভার ঘনত্ব অত্যন্ত বেশি। যা ডেঙ্গু সংক্রমণের বড় ঝুঁকির ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্রুটো ইনডেক্স (এডিস মশার লার্ভার ঘনত্ব পরিমাপের সূচক) ২০-এর বেশি হলেই সেটিকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ধরা হয়। আর ঢাকার দুই সিটির বিভিন্ন ওয়ার্ডে এর চেয়ে দেড় থেকে দ্বিগুণ বেশি লার্ভার ঘনত্ব মিলছে। ফলে বর্তমান পরিস্থিতি জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগজনক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার নগর ভবনে প্রকাশিত ডিএসসিসি’র ‘বর্ষাপূর্ব এডিস মশার লার্ভা জরিপ’-এর তথ্য অনুযায়ী, ৭৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৬৩টিতেই এডিস মশার ঘনত্ব নির্ধারিত সূচকের চেয়ে বেশি পাওয়া গেছে।
এর মধ্যে ২৭টি ওয়ার্ডকে ডেঙ্গুর জন্য ‘চরম ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানান ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। ডিএসসিসি ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার ৩৬ জন কর্মীর মাধ্যমে গত ১২ থেকে ২৩ মে পর্যন্ত জরিপটি পরিচালিত হয়। ডাটা সংগ্রহের নির্ভুলতা নিশ্চিত করতে আধুনিক ‘কবো টুলবক্স’ ব্যবহৃত হয়। জরিপ শেষে ব্রুটো ইনডেক্স, হাউজ ইনডেক্স, কনটেইনার ইনডেক্স এবং পিউপা ইনডেক্স এর মাধ্যমে ফলাফল প্রকাশ করা হয়, যা ভবিষ্যতে ডেঙ্গুর ‘হটস্পট’ চিহ্নিত করা হয়।
২ হাজার ২৫০টি বাড়ি থেকে তথ্য সংগৃহিত ওই জরিপে দেখা গেছে, পরিদর্শন করা বাড়িগুলোর মধ্যে ২৮১টিতে এডিস মশার লার্ভা ও পিউপা পাওয়া গেছে। লার্ভার উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে বহুতল ভবনে (৩৫ দশমিক ২৩ শতাংশ)। এরপর রয়েছে স্বতন্ত্র বাড়ি (২৭ দশমিক ৭৬ শতাংশ), নির্মাণাধীন ভবন (১৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ) এবং সেমিপাকা বাড়ি (১৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ)। এডিস মশার প্রজননস্থল হিসেবে সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হয়েছে মেঝেতে জমে থাকা পানি (১২ দশমিক ২৬ শতাংশ)। এছাড়া বালতিতে ১০ দশমিক ৩৪ শতাংশ এবং প্লাস্টিকের ড্রামে ৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ প্রজননক্ষেত্র পাওয়া গেছে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ল্যাবের গবেষণায় দেখা গেছে, ডেঙ্গুর মারাত্মক ঝুঁকিতে ঢাকাসহ ৪ জেলা। ঝুঁকিতে থাকা অন্য জেলাগুলো বরিশাল, নরসিংদী ও কক্সবাজার। সেখানে ব্রুটো ইনডেক্সে এডিসের লার্ভার ঘনত্ব ৭৬ থেকে ৯৩ পর্যন্ত মিলেছে। এডিসের ঘনত্ব জানতে গত এক মাস ধরে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলা থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধি দল।
৪৮ শতাংশ এডিসের লার্ভা মিলেছে ভবনের পার্কিং এবং বেজমেন্টে। ১৬ শতাংশ মিলেছে নির্মানাধীন ভবনে। ঢাকার কোন কোন এলাকাতে এডিসের ঘনত্ব ব্রুটো ইনডেক্সে ৯৩। এছাড়া ব্রুটো ইনডেক্সে কক্সবাজার, বরিশাল এবং নরসিংদীতে লার্ভার ঘনত্ব ৭৬ থেকে ৯৩। গবেষকরা বলছেন, ভবনের পার্কিং, বেইজমেন্ট ও জমিয়ে রাখা পানির ড্রাম ও বালতির দিকে নজর দিলে ৭০ শতাংশ এডিস কমানো সম্ভব।
এডিসের লার্ভার ঘনত্ব নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর; সিটি করপোরেশন কিংবা রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) করা গবেষণার তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় প্রতিবছরই লার্ভার ঘনত্ব বেড়েই চলছে। ২০২৫ সালে জুন মাসে প্রকাশিত আইইডিসিআর’র ২০২৪-২০২৫ সালের ডেঙ্গুর বাহক কীটতাত্তি¡ক জরিপের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে জরিপে বহুতল ভবনে এডিস মশার লার্ভার উপস্থিতি ছিল ৪২ শতাংশ। এক বছরে এই হার বেড়ে ৫৮ দশমিক ৮৮ শতাংশে পৌঁছেছে।
যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ১৬ শতাংশ বেড়েছে। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৪১টি ও ৩১টি ওয়ার্ডে মশার ঘনত্ব সরকারি সূচকের তুলনায় অনেক বেশি, যা ডেঙ্গুর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এর মধ্যে ১৩টি ওয়ার্ডকে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয় ওই জরিপে।
এদিকে ঢাকার বাইরে ঝিনাইদহ, মাগুরা, পটুয়াখালী ও পিরোজপুর জেলাগুলোতেও এডিস মশার লার্ভার উচ্চ উপস্থিতি ধরা পড়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, প্লাস্টিক ড্রাম, বাস্কেট ও দইয়ের খালি পাত্রে লার্ভার উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি।
২০২৫ সালে স্বাস্থ্য অধিপ্তরের করা প্রাক-বর্ষা জরিপে, ঢাকার দুই সিটির ৯৯টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৩টিতে এডিসের লার্ভার ঘনত্বের পরিমাণ নির্দিষ্ট মানদণ্ডের থেকে অনেকে বেশি মিলেছিল। শুধু ঢাকায় নয় ঢাকার বাইরেও বেড়েছে এডিস মশার ঘনত্ব। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকায় আইইডিসিআর পরিচালিত সর্বশেষ এক গবেষণায়ও বিভিন্ন ওয়ার্ডে মশার লার্ভা দ্বিগুণ হয়েছে বলে উঠে এসেছে।
গত ২ জুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডেঙ্গু ডেঙ্গু চিকিৎসা ব্যয় কমাতে বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে ১০ শতাংশ বেড ফাঁকা রাখা, পরীক্ষায় ৮০ শতাংশ ছাড় এবং চিকিৎসকের ফি না নেয়ার নির্দেশ দেন। এছাড়া ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সরকার সারা দেশে কঠোরভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা; কারো বাসার ছাদ বা আশপাশ অপরিচ্ছন্ন থাকলে এবং সেখানে মশার লার্ভা পাওয়া গেলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা করারও সিদ্ধান্ত নেয়ার কথাও জানান।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে আগামী শনিবার থেকে দেশব্যাপী বিশেষ কর্মসূচি শুরু হবে। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনসহ দেশের সব বিভাগীয় ও জেলা শহরে একযোগে সচেতনতামূলক র্যালি অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া মাইকিং, গণসচেতনতামূলক প্রচারণা, উঠান বৈঠক, কমিউনিটি সভা এবং সাংস্কৃতিক উপস্থাপনার মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানো হবে। শনিবার থেকে আগামী ৩ মাস দেশব্যাপী চলবে সচেতনতামূলক আন্দোলন। তবে এখনই ডেঙ্গুর টিকাতে সরকারের সায় নেই বলেও জানিয়েছিলেন মন্ত্রী।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার সক্ষমতা বাড়িয়ে সঠিক ও নিয়মিত তথ্য বিশ্লেষণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে ডেঙ্গু কর্ণার করা হচ্ছে। আক্রান্তদের চিকিৎসা দিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ক্যাম্পাসে ফিল্ড হাসপাতাল রেডি আছে। প্রয়োজনে দেশের বিভিন্ন জায়গায় আরো ফিল্ড হাসপাতাল করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।
এদিকে গতকাল জরিপ প্রকাশ অনুষ্ঠানে ডিএসসিসি প্রশাসক জানান, জরিপের ফলাফলের ভিত্তিতে আগামী ৭ জুন থেকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ২৭টি ওয়ার্ডে পাঁচ দিনব্যাপী বিশেষ ক্র্যাশ প্রোগ্রাম চালানো হবে। স্বাস্থ্য ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সমন্বয়ে পরিচালিত এ কর্মসূচি পরবর্তী সপ্তাহে মাঝারি ঝুঁকিতে থাকা আরো ৩৬টি ওয়ার্ডে স¤প্রসারণ করা হবে। ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে আগামী ৬ জুন ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরে একটি সচেতনতামূলক র্যালিরও আয়োজন করা হয়েছে। পরে পর্যায়ক্রমে নগরীর অন্যান্য এলাকাতেও একই ধরনের কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।
তবে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অণুজীববিজ্ঞানী ও জনস্বাস্থ্য গবেষক ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মাহবুবুল হাসান সিদ্দিকী বলেছেন, বাংলাদেশে ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনায় যারা আছে, যেমন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, আইইডিসিআর, সিটি করপোরেশন-সবার ফোকাস মশার দিকে। শুধু মশাকে টার্গেট করে ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনা আসলে ভুল টার্গেট সিলেক্ট করার মতো। পৃথিবীর কোনো দেশ পুরোপুরি মশা নির্মূল করতে পেরেছে-বলে জানা যায় না। বাংলাদেশের আবহাওয়াই মশার জন্য উপযোগী। মশা সংখ্যায় এত বেশি এবং এত ব্যাপক জায়গায় জন্ম নিচ্ছে যে শুধু মশক ব্যবস্থাপনায় জোর দিয়ে ডেঙ্গু নির্মূল সম্ভব নয়।
মশা নিধনের চলমান কার্যক্রমগুলো সবচেয়ে বেশি জোর দিয়ে সেসব জায়গায় পরিচালনা করা উচিত যেখানে ভাইরাসের অস্তিত্ব আছে। আর এটি করা উচিত ডেঙ্গু মৌসুমের একেবারে শুরুর দিকে ভাইরাসটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার আগেই। করোনা কালের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, আমরা করোনা মহামারীর সময় কিন্তু এ কাজটাই করেছি। যেসব এলাকায় মানুষ আক্রান্ত হয়েছে, সেসব এলাকা বা বাড়িকে ঘিরে ম্যানেজমেন্ট করা হয়েছে। তাই যদি হয়, তাহলে ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে ভাইরাসকে একেবারে পাশ কাটিয়ে শুধু মশার পেছনে সামর্থ্যের প্রায় পুরোটা ব্যয় করা হচ্ছে কেন, যেখানে মশা পুরোপুরি নির্মূলযোগ্য নয়? অথচ ডেঙ্গুতে জটিলতা বা মৃত্যুর পেছনে মূল কারণ ভাইরাসের টাইপের ভিন্নতা, যে সম্পর্কিত তথ্য একেবারেই অপ্রতুল।