Close Menu
    What's Hot

    ১০ ক্ষমতাচ্যুত বিশ্বনেতা: যাদের পতনে কেঁপে উঠেছিল বিশ্ব

    July ২৪, ২০২৬

    আর্জেন্টিনা-স্পেন-ব্রাজিলসহ কোন দেশ কতবার বিশ্বকাপ জিতলো

    July ১৬, ২০২৬

    ইনকিলাব মঞ্চে ফাটল: জাবের-জুমার বিদায়ে রহস্য!

    July ১০, ২০২৬
    Facebook X (Twitter) Instagram
    English
    ডেইলি নিউজ
    • জাতীয়
    • সারাদেশ
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • বিশ্ব
    • প্রবাস
    • শিক্ষা
    • চাকরি
    • প্রযুক্তি
    • ফিচার
    • খেলা
    • বিনোদন
    YouTube
    Search
    ডেইলি নিউজ
    Home - জীবন-যাপন - হাম রোগের লক্ষণ, ওষুধ, করণীয়, কী খাবেন ও কী খাবেন না

    হাম রোগের লক্ষণ, ওষুধ, করণীয়, কী খাবেন ও কী খাবেন না

    Picture of ডেস্ক রিপোর্ট

    ডেস্ক রিপোর্ট

    • April ৬, ২০২৬
    • ৮:৩৬ পিএম
    হাম রোগের লক্ষণ, ওষুধ, করণীয়, কী খাবেন ও কী খাবেন না

    হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ,যা মূলত শ্বাসনালীর মাধ্যমে দ্রুত একজন থেকে আরেকজনে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে এই রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি দেখা গেলেও,টিকা না নেওয়া বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকা বড়রাও সহজেই এতে আক্রান্ত হতে পারেন। সাধারণভাবে এটি একটি পরিচিত রোগ হলেও অবহেলা করলে গুরুতর জটিলতা তৈরি করতে পারে।

    যেমন: নিউমোনিয়া,ডায়রিয়া বা চোখের সমস্যা। বাংলাদেশে এখনো হাম একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে বিবেচিত হয়। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চল বা টিকাদান কর্মসূচির বাইরে থাকা শিশুদের মধ্যে এ রোগ বেশি দেখা যায়। যদিও সরকার নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করছে, তবুও সচেতনতার অভাব ও অবহেলার কারণে প্রতি বছরই অনেক মানুষ হাম রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। তাই এই রোগ সম্পর্কে সঠিক ধারণা,প্রতিরোধ এবং সময়মতো চিকিৎসা নেয়া অত্যন্ত জরুরি।

    হাম রোগ কী?

    হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ,যা মানুষের শ্বাসতন্ত্রকে প্রধানত আক্রান্ত করে। এটি Measles নামে পরিচিত এবং বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার প্রবণতা রয়েছে। এই রোগের জন্য দায়ী Measles virus, যা একবার শরীরে প্রবেশ করলে দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বিভিন্ন উপসর্গ সৃষ্টি করে। হাম মূলত বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায়। কোনো আক্রান্ত ব্যক্তি কাশি বা হাঁচি দিলে তার শরীর থেকে বের হওয়া ক্ষুদ্র ড্রপলেটের মাধ্যমে এই ভাইরাস অন্য মানুষের শরীরে প্রবেশ করে। এমনকি একই পরিবেশে থাকা বা কাছাকাছি অবস্থান করলেও সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। এছাড়া আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসলে খুব সহজেই এই রোগ ছড়িয়ে পড়ে। যেমন: একই বাসন ব্যবহার করা, কাছাকাছি থাকা বা রোগীর যত্ন নেওয়ার সময় সতর্কতা না মানলে সংক্রমণ হতে পারে। তাই হামকে অত্যন্ত সংক্রামক রোগ হিসেবে ধরা হয় এবং দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

    হাম রোগের লক্ষণগুলো কি কি

    হাম রোগের লক্ষণ সাধারণত ধাপে ধাপে প্রকাশ পায় এবং শুরুতে এটি সাধারণ সর্দি-জ্বরের মতো মনে হতে পারে। তবে কয়েকদিনের মধ্যে এর বিশেষ কিছু লক্ষণ স্পষ্ট হয়ে ওঠে, যা দেখে সহজেই হাম শনাক্ত করা যায়।

    প্রথমে রোগীর জ্বর দেখা দেয়, যা ১০১–১০৪°F পর্যন্ত হতে পারে এবং ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। এর সঙ্গে শুকনো কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া এবং চোখ লাল হয়ে যাওয়া (Conjunctivitis) দেখা যায়। অনেক সময় চোখে জ্বালা বা পানি পড়ার সমস্যাও হতে পারে।

    হামের একটি বিশেষ লক্ষণ হলো মুখের ভেতরে ছোট ছোট সাদা দাগ, যাকে Koplik spots বলা হয়। এটি সাধারণত গালের ভেতরের অংশে দেখা যায় এবং হাম শনাক্ত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ চিহ্ন।

    কয়েকদিন পর শরীরে লাল ফুসকুড়ি (rash)দেখা দেয়,যা প্রথমে মুখে শুরু হয়ে ধীরে ধীরে পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। এই সময় রোগী দুর্বল হয়ে পড়ে এবং খাওয়ার প্রতি অনীহা (অরুচি) দেখা যায়। এসব লক্ষণ একসঙ্গে দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত,কারণ সময়মতো চিকিৎসা না নিলে জটিলতা বাড়তে পারে।

    হাম রোগের ওষুধ ও চিকিৎসা

    হাম একটি ভাইরাসজনিত রোগ হওয়ায় এর জন্য নির্দিষ্ট কোনো অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ নেই। তাই সাধারণত রোগীর লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়া হয়, যাকে লক্ষণভিত্তিক চিকিৎসা (symptomatic treatment) বলা হয়।

    সঠিক যত্ন ও চিকিৎসার মাধ্যমে অধিকাংশ রোগী ঘরেই ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠে। রোগীর জ্বর কমাতে সাধারণত Paracetamolদেয়া হয়,যা শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। তবে কোনো ওষুধ খাওয়ার আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া ভালো,বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে।

    হাম রোগে ভিটামিন A খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এটি চোখের সুরক্ষা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে, ফলে জটিলতা কম হয়। তাই অনেক ক্ষেত্রে চিকিৎসকরা ভিটামিন A সাপ্লিমেন্ট দেওয়ার পরামর্শ দেন।

    এছাড়া রোগীকে পর্যাপ্ত পানি ও তরল খাবার দিতে হবে, যাতে শরীরে পানিশূন্যতা না হয়। বিশ্রাম ও পুষ্টিকর খাবার দ্রুত সুস্থ হতে সহায়তা করে।

    হাম হলে করণীয়

    হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ হওয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তির সঠিক যত্ন নেওয়া এবং অন্যদের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করা খুবই জরুরি। কিছু গুরুত্বপূর্ণ করণীয় নিচে দেওয়া হলো—

    প্রথমেই আক্রান্ত ব্যক্তিকে আলাদা (isolation) করে রাখতে হবে, যাতে পরিবারের অন্য সদস্যদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে না পড়ে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের থেকে দূরে রাখা উচিত।

    রোগীকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম দিতে হবে, কারণ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে বিশ্রাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি প্রচুর পানি ও তরল খাবার খাওয়াতে হবে, যাতে শরীর পানিশূন্য না হয়ে পড়ে।

    রোগীকে সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশে রাখতে হবে। বিছানা, কাপড় ও ব্যবহৃত জিনিসপত্র নিয়মিত পরিষ্কার করা প্রয়োজন, যাতে সংক্রমণের ঝুঁকি কমে।

    হাম রোগে অনেক সময় চোখে জ্বালা বা সংবেদনশীলতা দেখা দেয়। এ ক্ষেত্রে রোগীকে কম আলোযুক্ত পরিবেশে রাখা ভালো, এতে চোখের অস্বস্তি কমে।

    যদি জ্বর বেশি হয়ে যায় বা অন্যান্য উপসর্গ গুরুতর আকার ধারণ করে, তাহলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। সময়মতো চিকিৎসা নিলে জটিলতা এড়ানো সম্ভব।

    হাম হলে কী খাবেন

    হাম রোগে আক্রান্ত হলে শরীর দুর্বল হয়ে যায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। তাই এ সময় পুষ্টিকর ও সহজপাচ্য খাবার খাওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ, যা শরীরকে দ্রুত সুস্থ হতে সাহায্য করে।

    রোগীর জন্য নরম ও সহজে হজম হয় এমন খাবার দেওয়া উচিত। যেমন—ভাত, খিচুড়ি ও স্যুপ। এগুলো শরীরকে শক্তি দেয় এবং হজমে কোনো চাপ ফেলে না। বিশেষ করে জ্বরের সময় তরল বা আধা-তরল খাবার বেশি উপকারী।

    ফলমূলের মধ্যে কমলা, মাল্টা ও কলা খাওয়া ভালো, কারণ এগুলো ভিটামিন ও মিনারেলে সমৃদ্ধ। বিশেষ করে ভিটামিন C শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

    ডাবের পানি শরীরের পানিশূন্যতা দূর করতে খুব কার্যকর। এছাড়া গরম দুধও শক্তি জোগাতে সহায়ক এবং রোগীর শরীরকে দ্রুত সুস্থ হতে সাহায্য করে।

    সবজির মধ্যে পুষ্টিকর ও ভিটামিনসমৃদ্ধ সবজি খাওয়ানো উচিত। যেমন—গাজর, পালং শাক, লাউ ইত্যাদি। এগুলো শরীরকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি দেয় এবং দ্রুত আরোগ্যে সহায়তা করে।

    হাম হলে কী খাবেন না

    হাম হলে শুধু কী খাবেন তা নয়, কী খাবেন না—এটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কিছু খাবার রোগের সময় শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে এবং সুস্থ হতে দেরি করাতে পারে।

    ভাজা ও অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ এগুলো হজমে সমস্যা তৈরি করে এবং শরীরকে আরও দুর্বল করে দিতে পারে। একইভাবে ফাস্টফুড ও জাঙ্ক ফুড শরীরের জন্য কোনো পুষ্টি দেয় না, বরং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।

    অতিরিক্ত ঠান্ডা খাবার বা পানীয় গলা ও শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা বাড়াতে পারে, যা হাম রোগের উপসর্গকে আরও খারাপ করতে পারে। এছাড়া কার্বোনেটেড ড্রিংকস (সফট ড্রিংকস) শরীরের জন্য ক্ষতিকর এবং পানিশূন্যতা বাড়াতে পারে।

    মশলাদার খাবারও এড়িয়ে চলা ভালো, কারণ এগুলো গলা ও পেটের অস্বস্তি বাড়াতে পারে। তাই হাম রোগের সময় হালকা, পুষ্টিকর ও সহজপাচ্য খাবার গ্রহণ করাই সবচেয়ে নিরাপদ ও উপকারী।

    কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন

    হাম সাধারণত ঘরে পরিচর্যায় ভালো হয়ে যায়, তবে কিছু লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া অত্যন্ত জরুরি। কারণ এগুলো গুরুতর জটিলতার ইঙ্গিত হতে পারে।

    যদি রোগীর শ্বাসকষ্ট হয় বা শ্বাস নিতে কষ্ট অনুভব করে, তাহলে এটি ফুসফুসে সংক্রমণের লক্ষণ হতে পারে—এ ক্ষেত্রে দ্রুত ডাক্তারের কাছে যেতে হবে। একইভাবে জ্বর যদি ৪–৫ দিন পার হওয়ার পরও না কমে বা আরও বেড়ে যায়, তাহলে সেটি উদ্বেগজনক।

    শিশু যদি খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দেয় বা একেবারেই দুর্বল হয়ে পড়ে, তাহলে তা শরীরের অবস্থার অবনতি নির্দেশ করে। এছাড়া খিঁচুনি (seizure) হলে তা জরুরি অবস্থা—অবিলম্বে চিকিৎসা নিতে হবে।

    চোখে ব্যথা, ঝাপসা দেখা বা কানে ব্যথা ও সংক্রমণের মতো সমস্যা দেখা দিলেও অবহেলা করা যাবে না। এসব ক্ষেত্রে দ্রুত ডাক্তারের কাছে গেলে বড় ধরনের জটিলতা এড়ানো সম্ভব।

    প্রতিরোধের উপায়

    হাম একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ, এবং সঠিক পদক্ষেপ নিলে এটি সহজেই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। এর মধ্যে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো টিকা গ্রহণ। হাম প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর টিকা হলো MMR vaccine।

    এই টিকা হাম, মাম্পস ও রুবেলা—এই তিনটি রোগের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেয়। শিশুদের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী এই টিকা দেওয়া অত্যন্ত জরুরি, কারণ এটি শরীরে দীর্ঘমেয়াদি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে।

    এছাড়া আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ হাম খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। পরিবারের কেউ আক্রান্ত হলে তাকে আলাদা রেখে যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।

    ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাও গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত হাত ধোয়া, কাশি-হাঁচির সময় মুখ ঢেকে রাখা এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা—এসব অভ্যাস সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। সঠিক সময়ে টিকা গ্রহণ ও সচেতনতা বাড়ানোর মাধ্যমেই হাম রোগ থেকে নিজেকে এবং পরিবারকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব।

    উপসংহার

    হাম একটি পরিচিত ও সাধারণ রোগ হলেও একে কখনোই হালকাভাবে নেয়া উচিত নয়। সময়মতো সঠিক যত্ন ও চিকিৎসা না নিলে এটি গুরুতর জটিলতার দিকে যেতে পারে,বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি থাকে।

    তবে আশার বিষয় হলো—সঠিক যত্ন,পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং পুষ্টিকর খাবার দিলে অধিকাংশ রোগীই ধীরে ধীরে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠে। পরিবারের সদস্যদের সচেতনতা ও যত্ন এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

    সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো প্রতিরোধ। সময়মতো টিকা গ্রহণ,স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং সচেতন থাকা—এই তিনটি বিষয় মেনে চললেই হাম রোগ থেকে সহজেই নিজেকে ও পরিবারকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব।

    হাম রোগ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর

    ১. হাম রোগ কীভাবে ছড়ায়?

    উত্তর: হাম মূলত আক্রান্ত ব্যক্তির কাশি, হাঁচি বা কথা বলার সময় বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায়। খুব সহজেই একজন থেকে আরেকজনের মধ্যে সংক্রমণ ঘটে।

    ২. হাম রোগ কতদিন থাকে?

    উত্তর: সাধারণত হাম রোগ ৭–১০ দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যায়। তবে দুর্বলতা কিছুদিন বেশি থাকতে পারে।

    ৩. হাম হলে কি গোসল করা যাবে?

    উত্তর: হ্যাঁ, হালকা গরম পানি দিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা উচিত। তবে ঠান্ডা লাগার মতো পরিস্থিতি এড়িয়ে চলতে হবে।

    ৪. হাম হলে কি অ্যান্টিবায়োটিক খেতে হয়?

    উত্তর: না, হাম ভাইরাসজনিত রোগ, তাই অ্যান্টিবায়োটিক সাধারণত প্রয়োজন হয় না। তবে জটিলতা হলে ডাক্তার দিতে পারেন।

    ৫. হাম হলে কী খেলে দ্রুত ভালো হয়?

    উত্তর: পুষ্টিকর খাবার যেমন ভাত, খিচুড়ি, ফলমূল, স্যুপ ও ডাবের পানি দ্রুত সুস্থ হতে সাহায্য করে।

    ৬. হাম কি বড়দেরও হয়?

    উত্তর: হ্যাঁ, টিকা না নেওয়া বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকলে বড়দেরও হাম হতে পারে।

    ৭. হাম হলে কি বাইরে যাওয়া যাবে?

    উত্তর: না, এতে অন্যদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়ানোর ঝুঁকি থাকে। সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত ঘরে থাকা উচিত।

    ৮. হাম রোগ কি মারাত্মক হতে পারে?

    উত্তর: সাধারণত না, তবে চিকিৎসা না নিলে নিউমোনিয়া বা অন্যান্য জটিলতা হতে পারে।

    ৯. হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে ভালো উপায় কী?

    উত্তর: সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো MMR vaccine নেওয়া।

    ১০. হাম হলে কখন ডাক্তারের কাছে যাওয়া জরুরি?

    উত্তর: যদি জ্বর না কমে, শ্বাসকষ্ট হয়, খিঁচুনি হয় বা রোগীর অবস্থা খারাপ হয়—তাহলে দ্রুত ডাক্তারের কাছে যেতে হবে।

    আরো পড়ুন: ডায়াবেটিস রোগীরা কী খাবেন কী খাবেন না

     

    • আলোচিত খবর, আলোচিত সংবাদ, ডেইলি নিউজ, সবশেষ খবর, হাম, হামের আপডেট খবর

    আলোচিত সংবাদ

    যেসব পণ্যের দাম কমবে ও বাড়বে

    জাতিসংঘের মহাসচিব নির্বাচিত করা হয় যেভাবে

    ডেঙ্গুর বিপদ সংকেত! ঝুঁকিতে ঢাকা

    আরিয়ানা গ্রান্ডের নতুন গান ‘হ্যাট দ্যাট আই মেইড ইউ লাভ মি’ প্রকাশ

    উচ্চশিক্ষিত সন্তান তবু মায়ের করুণ মৃত্যু

    সর্বশেষ সংবাদ

    যেসব পণ্যের দাম কমবে ও বাড়বে

    জাতিসংঘের মহাসচিব নির্বাচিত করা হয় যেভাবে

    ডেঙ্গুর বিপদ সংকেত! ঝুঁকিতে ঢাকা

    আরিয়ানা গ্রান্ডের নতুন গান ‘হ্যাট দ্যাট আই মেইড ইউ লাভ মি’ প্রকাশ

    উচ্চশিক্ষিত সন্তান তবু মায়ের করুণ মৃত্যু

    ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ম্যাচ লাইভ দেখবেন যেভাবে

    বাজেটের পরও বাড়েনি কোনো পণ্যের দাম: প্রধানমন্ত্রী

    যেসব পণ্যের দাম কমবে ও বাড়বে

    জাতিসংঘের মহাসচিব নির্বাচিত করা হয় যেভাবে

    ডেঙ্গুর বিপদ সংকেত! ঝুঁকিতে ঢাকা

    আরিয়ানা গ্রান্ডের নতুন গান ‘হ্যাট দ্যাট আই মেইড ইউ লাভ মি’ প্রকাশ

    উচ্চশিক্ষিত সন্তান তবু মায়ের করুণ মৃত্যু

    যুক্তরাজ্যে ধর্মীয় ছুরির আড়ালে হত্যাকাণ্ড: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড যুবকের

    ২০২৬ সালে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি আয় করা খেলোয়াড় কে?

    ১০৪ বছর বয়সে হজ পালন: এমবাহ মার্সিয়াহর অনুপ্রেরণার গল্প

    অপ্পো রেনো ১৬ ৫জি এর দাম, ফিচার ও সম্পূর্ণ স্পেসিফিকেশন

    এবারও চামড়ার দাম নিয়ে শঙ্কা, ব্যাংক অর্থায়ন না পেয়ে বিপাকে ব্যবসায়ীরা

    কোরবানির মাংস বণ্টনের নিয়ম কী? ফজিলত ও হাদিসসহ বিস্তারিত

    লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক বাংলা অনুবাদ সহ পুরো দোয়া

    ঢাকার হাটে পর্যাপ্ত কোরবানির পশু, তবু চড়া দাম—জমেনি কেনাবেচা!

    ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অঘটনগুলো

    • ডেইলি নিউজ
    • বিজ্ঞাপন
    • শর্তাবলি ও নীতিমালা
    • গোপনীয়তা নীতি
    • যোগাযোগ
    • ডেইলি নিউজ
    • বিজ্ঞাপন
    • শর্তাবলি ও নীতিমালা
    • গোপনীয়তা নীতি
    • যোগাযোগ

    © 2025 Daily News BD. All rights reserved.
    Designed and Developed by Labartise.

    © 2025 Daily News BD. All rights reserved. Designed and developed by Labartise.
    • ডেইলি নিউজ
    • বিজ্ঞাপন
    • শর্তাবলি ও নীতিমালা
    • গোপনীয়তা নীতি
    • যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.